নিজস্ব প্রতিবেদক।। ঢাকার আশুলিয়ায় ভাড়া বাসার একটি কক্ষ থেকে তরুণ ও তরুণীর ঝুলন্ত মৃতদের উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। তারা উভয়ই স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে বসবাস করত।
বুধবার রাতে আশুলিয়ার পল্লীবিদুৎ ডেন্ডাবরে আলমগীরের বাসার কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা উভয়ে কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে এসে ডেন্ডাবর এলাকায় বসবাস শুরু করেন।
নিহতরা হলেন-কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার মনোহরপুর গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে টুটুল (২৭) ও একই জেলার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থানার চররাধানগর গ্রামের বাদল আলীর মেয়ে মারিয়া খাতুন (১৫)। টুটুলের গ্রামে স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, গত ২২ জুন মারিয়া নিখোঁজ হয়। পরে ২৪ জুন মারিয়ার পরিবার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ধারণা করা হচ্ছে তাদের দুই জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তারা বাসা থেকে পালিয়ে গত ১৯ জুলাই আশুলিয়ার ওই এলাকায় টুটুলের চাচাতো বোনের কাছে আসে। পরে ডেন্ডাবর এলাকার আলমগীরের বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বসবাস শুরু করেন। আজ সন্ধ্যায় তাদের কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে থানায় খবর দেয় প্রতিবেশিরা। খবর পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে তাদের দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আশুলিয়া থানার এসআই শফিউল্লাহ জানান, টুটুল ও মারিয়া কুষ্টিয়া থেকে পালিয়ে এসে বসবাস শুরু করেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। সুরতাহালের পর মৃত্যুর কারন নিশ্চিত হওয়া যাবে।